Thursday, 21 April 2016

;alsdf;laskdf;lakf;alskdf;alksdf;alskfdj

Tuesday, 19 April 2016

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল পেতে নিচের এই লিংকে  কিল্ক করুন,

http://180.211.137.51:2811/

প্রচন্ড গরমে রাজধানীর জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে

প্রচন্ড গরমে রাজধানীর জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বৃষ্টির জন্য চলছে হাহাকার। এমন প্রতিকূল পরিবেশেও জীবন আর জীবিকার জন্য পথে নামছেন তারা। আবহাওয়া অফিসের বক্তব্য, দু’দিনে তাপমাত্রা কমার কোনো সম্ভবানা নেই; বরং আরো বাড়তে পারে।
গেলো ৩০ বছরের রেকর্ড বলছে, এপ্রিল মাসেই দেশের তাপমাত্র বেশি থাকে বাংলাদেশে। দু’সপ্তা ধরে রাজধানীর তাপমাত্র ৩৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠা-নামা করছে। আর ঢাকার বাইরে তাপমাত্রা বেড়েছে ৪০ দশমিক ছয় ডিগ্রী পর্যন্ত। একদিকে প্রচন্ড গরম; অন্যদিকে গণপরিবহনের অভাব। জীবিকার প্রয়োজনে প্রতিকূল পরিবেশে এভাবেই চলছে নগরজীবন।
প্রচন্ড গরমে সবচে বেশি কষ্ট— খেটে খাওয়া মানুষের। শ্রমের চাকা না ঘুরলে যে, বন্ধ হবে তাদের জীবনের চাকাও। মাটির উত্তাপ যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে শিলা বৃষ্টিসহ কালবৈশাখির আশংকা করছেন আবহাওয়াবিদরা। এছাড়া, দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাস অনুযায়ী এমাসেই বড় ধরনের ঘুর্ণিঝড়ের আশংকাও রয়েছে। তবে বৃষ্টি না হলে তাপমাত্রা কমার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানান তিনি।
এই আবহাওয়াবিদের দাবি, সপ্তার শেষ দিকে বৃষ্টিতে তাপমাত্র একটু কমলেও দাবদাহ চলবে মে মাস জুড়ে।

Monday, 18 April 2016

শ্রমিকরাও মানুষ

যাদের ঘামে , শ্রমে , রক্ত পানি করা পরিশ্রমে আমরা ভালো আছি আসুন তাদের প্রতি একটু সহমর্মিতা এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই। একটু সময় নষ্ট করে মাত্র দুই মিনিটের ভিডিওটি দেখে নিন। নিজের মধ্যে একটু হলেও পরিবর্তন আসবে আশা করি|
অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই যিনি ভিডিওটি এতো সুন্দর পরিকল্পনা করে তৈরি করেছেন।
যাদের কারনে আমরা ভালো আছি আসুন তাদের ভালোবাসি , একটু হলেও ভালো রাখি| আমাদের একটু সহমর্মিতা আর আন্তরিকতার বিনিময়ে হাসি ফুটুক তাদের মুখেও।
তাদের মুখে একটু হাসি ফুটানো কি খুব কঠিন কিছু? মোটেই না! প্রয়োজন আপনার একটু স্বদিচ্ছা আর আন্তরিকতা।

বিপদের বন্ধু পুলিশ

বিপদের বন্ধু পুলিশকে বিপদের সময় কাছে ডেকে কিভাবে বাশ দিতে হয় তার একটি জ্বলন্ত উদাহরণ দেখে যান| সেইসাথে আপনারাই বিচার করুন পুলিশকে আপনারা কতটুকু বন্ধু ভাবতে পারেন। দয়া করে এটাও বলে যাবেন সমাজের ভিকটিম কি আমি(পুলিশ) না আপনি?
আর এই ক্ষেত্রে আমাদের জাতির বিবেক মিডিয়ার ভুমিকার কথা আর নতুন করে বলার কিছুই নেই।
সব মিলিয়ে আজকের (রবিবারের) এই ঘটনা আবারো প্রমাণ করলো , পুলিশ যতই ভালো কাজ করুক না কেন বা বিপদের মুহুর্তে জনগণের ডাকে ভালো কাজ করতে এগিয়ে যাক না কেন সেখানে পুলিশের উপস্থিতিতে বাই চান্স যদি কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেই যায় আমাদের সচেতন সমাজ , সমাজের দর্পণ মিডিয়া, মানবাধিকার সংগঠন থেকে শুরু করে সুশীল , কুশীল , সচেতন ,অচেতন, মদ খোর, গাঞ্জা খোর যারাই আছে সবাই পুলিশের বিরুদ্ধে আইক্ষা ওলা বাশ নিয়েই দাড়িয়ে যাবে।
কেউ খোজ নিয়ে জানারও চেষ্টা করবে না আসল ঘটনাটি-ই বা কি।
শনিবার রাতের একটি ঘটনা বিভিন্ন মিডিয়াতে দেখে এবং সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখে মনের দুঃখে কথা গুলো বলতে বাধ্য হচ্ছি। ক্ষমা করবেন এই মুর্খের এমন প্রতিক্রিয়ার জন্য।
যেহেতু ঘটনাটি রংপুরের এবং আমি যেখানে আছি সেই স্থান থেকে বলতে গেলে অল্প কিছু দুরে, তাই ঘটনাটি নিয়ে দু চারটি কথা না বলে পারছি না।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে কাউনিয়া থানাধীন হারাগাছ এলাকার একটি বাজারে! ঘটনার সুত্রপাত আইপিএল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে।
অত্যন্ত বিশ্বস্ত একটি সুত্রে জানতে পেরেছি, খেলা চলাকালীন সময় একটি দোকানে নিছক ঠাট্টা মসকরার ছলে কোন বলে কে আউট হবে নাকি ৪/৬ মারবে তা আগাম বলাবলি শুরু হয়ে যায়।
এক সময় তা রুপ নেয় জুয়ার পর্যায়ে। টাকা এমাউন্ট ধরে ডাক উঠে !
এক সময় টাকা পয়সার দেনা পাওনা নিয়ে দ্বন্দ শুরু হয় । প্রথমে কথা কাটাকাটি! তারপর ধাক্কাধাক্কি থেকে রুপ নেয় হাতাহাতির পর্যায়ে।
খবর চলে যায় পুলিশের কাছে। বিপদের বন্ধু পুলিশ জনগণের ডাকে কালক্ষেপন না করে দ্রুত ছুটে আসে ঘটনাস্থলে!
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়ারী গ্রুপ যে যার মত দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাদের মধ্যে একজন কিছুদুর গিয়ে নিজেই মাটিতে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায়।
পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতালে নেওয়া পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।
ঘটনার সময় উপস্থিত কারো কারো ধারণা ছিল পুলিশের ভয়ে দৌড়ে পালাতে গিয়ে হয়তো হার্ট এটাক করেই তার এমন অবস্থা হয়েছে! যেখানে নির্যাতন নামের কোন ঘটনাই ঘটলো না সেখানে অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল তোলা হয়েছে নির্যাতনের!
যেন ঘটনার দায় সব পুলিশের উপর্। পুলিশ এবং র্‍্যাবের গাড়ি ভাংচুর করা হলো। ভাংচুর এবং অগ্নি সংযোগ করা হলো পুলিশ ফাড়িও।
আইপিএল খেলা দেখা নিয়ে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঝামেলা থামাতে পুলিশের যে এসআই তার দায়িত্ব পালন করার জন্য এগিয়ে গেলো তাতক্ষনিক সাসপেন্ড করা হলো তাকে।
দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য তাকেই ভিলেইন বানিয়ে দেওয়া হলো। মিডিয়ার বদৌলতে চমৎকার চমৎকার সব শিরোনাম দেখে মানুষও পুলিশ সম্পর্কে কি চমৎকার একটা ধারণাই না পেলো।
বিপদের বন্ধু পুলিশকে বিপদের সময় কাছে ডেকে যদি এভাবেই ভিকটিম বানিয়ে দেন অদুর ভবিষ্যতে পুলিশের কাছ থেকে কেমন আচরণ এবং সেবা পাবেন একবার ভেবে দেখবেন!!!